Tuesday, April 14, 2026
Saturday, June 17, 2023
Test
First, Enter YouTube video URL in the empty box and then select the format which you want to download. Then click on "Click Here" and wait till the Download ... Button appears. Then click on Download button and it will redirect to another website; simply close the new tab and come back to this page and you will see it's loading. When the loading is done, click on " Download Now " button to download the audio/video. Thank you..â¤ï¸

All Format YouTube Audio & Video Downloader
Ffffff
First, Enter YouTube video URL in the empty box and then select the format which you want to download. Then click on "Click Here" and wait till the Download ... Button appears. Then click on Download button and it will redirect to another website; simply close the new tab and come back to this page and you will see it's loading. When the loading is done, click on " Download Now " button to download the audio/video. Thank you..â¤ï¸

All Format YouTube Audio & Video Downloader
ভিডিও ডাউনলোড
<!DOCTYPE html>
<html>
<title>All Format YouTube Audio & Video Downloader</title>
<head>
<meta name="viewport" content="width=device-width, initial-scale=1.0">
<meta name="description" content="Free online YouTube video downloader to download YouTube videos in MP4 in HD quality with high download speed."/>
<meta name="robots" content="index,follow" />
<meta name="keywords" content="Free online YouTube video downloader to download YouTube videos in MP4 in HD quality with high download speed." />
<meta http-equiv="Content-Type" content="text/html;charset=utf-8">
<link rel="stylesheet" href="https://maxcdn.bootstrapcdn.com/bootstrap/4.1.3/css/bootstrap.min.css">
<link href='https://pietune.blogspot.com/p/google-drive-direct-download-link.html' rel='canonical'/>
<script src="https://ajax.googleapis.com/ajax/libs/jquery/3.3.1/jquery.min.js"></script>
<script src="https://cdnjs.cloudflare.com/ajax/libs/popper.js/1.14.3/umd/popper.min.js"></script>
<script src="https://maxcdn.bootstrapcdn.com/bootstrap/4.1.3/js/bootstrap.min.js"></script>
<link rel="stylesheet" href="https://cdnjs.cloudflare.com/ajax/libs/font-awesome/4.7.0/css/font-awesome.min.css">
<link rel="icon" href="favicon.png" sizes="16x16" type="image/png">
<style>
* {
margin: 0;
padding: 0;
}
.mt-5, .my-5 {
margin-top: 0rem!important;
}
#hd {
width:100%;
height:390px;
margin:0 0 50px 0;
}
.custom-shape-divider-bottom-1610026357 {
position: absolute;
bottom: 0;
left: 0;
width: 100%;
overflow: hidden;
line-height: 0;
transform: rotate(180deg);
}
.custom-shape-divider-bottom-1610026357 svg {
position: relative;
display: block;
width: calc(100% + 1.3px);
height: 183px;
}
.custom-shape-divider-bottom-1610026357 .shape-fill {
fill: #FFFFFF;
}
</style>
</head>
<body>
<p>First, Enter YouTube video URL in the empty box and then select the format which you want to download. Then click on "Click Here" and wait till the Download ... Button appears. Then click on Download
button and it will redirect to another website; simply close the new tab and come back to this page and you will see it's loading. When the loading is done, click on " Download Now " button to download the audio/video. Thank you..â¤ï¸</p>
<div style="position: relative; background-image: linear-gradient(to right, #2101b9, #005eec, #0090f8, #00bcee, #00e3e3); min-height: 99vh;">
<div id='hd'>
<center><img alt='youtube video downloader' height='150' src='https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjjpifaHKkpKpp29flOoQxypSz0I6qbgmTW4uUve2RMFYjVGgVAolv8yabScJ-kC9GUbcl8LLMCWa5rT1BzU7ddZWjNOAZrWqMMvSClvRpX_ZULIYO3QOhWa8W6bi0_i1stdy2qSchzY3Q/s1600/aaaaaaa.png' width='100' title='High Quality YouTube Audio & Video Downloader'/></center>
<div class="col-md-6 offset-md-3 mt-5">
<div class="card">
<div class="card-header bg-info">
<center><h5>All Format YouTube Audio & Video Downloader</h5>
</div>
<div class="card-body">
<div class="row">
<div class="col-md-12">
<div class="form-group">
<label class="text-weight"><b>Enter YOUTUBE Video Link:</b></label>
<input type="txt" name="link" class="form-control link" required>
</div>
</div>
</div>
<form class="form-download">
<div class="row">
<div class="col-md-12">
<div class="form-group">
<label class="text-weight"><b>Select Video Format:</b></label>
<select class="form-control formte" required>
<option selected disabled>Select Video Format</option>
<option value="mp3">Mp3</option>
<option value="mp4a">144p</option>
<option value="360">360p</option>
<option value="480">480p</option>
<option value="720">720p</option>
<option value="1080">1080p</option>
<option value="4k">4k</option>
<option value="8k">8k</option>
</select>
</div>
</div>
</div>
<div class="row">
<div class="col-md-12">
<div class="form-group mt-4 download-video">
<button class="btn btn-success btn-block click-btn-down" type="submit">Click Here</button>
</div>
</div>
</div>
</form>
</div>
</div>
</div>
<div class="custom-shape-divider-bottom-1610026357">
<svg data-name="Layer 1" xmlns="http://www.w3.org/2000/svg" viewBox="0 0 1200 120" preserveAspectRatio="none">
<path d="M321.39,56.44c58-10.79,114.16-30.13,172-41.86,82.39-16.72,168.19-17.73,250.45-.39C823.78,31,906.67,72,985.66,92.83c70.05,18.48,146.53,26.09,214.34,3V0H0V27.35A600.21,600.21,0,0,0,321.39,56.44Z" class="shape-fill"></path>
</svg>
</div>
</div>
</body>
<script type="text/javascript">
$(".click-btn-down").click(function(){
var link = $(".link").val();
var fromate = $(".formte").children("option:selected").val();
var src =""+link+"="+fromate+"";
downloadVideo(link,fromate);
});
function downloadVideo(link,fromate) {
$('.download-video').html('<iframe style="width:100%;height:60px;border:0;overflow:hidden;" scrolling="no" src="https://loader.to/api/button/?url='+link+'&f='+fromate+'"></iframe>');
}
</script>
</html>
Tuesday, October 11, 2022
হাফেয মাওলানা মুফতি রেজাউল করিম
Friday, February 4, 2022
Monday, August 10, 2020
বিএএফ করোনা ভাইরাস আক্রান্ত বিচারককে দিনাজপুর থেকে ঢাকায় আনা হয়েছে
>h1<দিনাজপুরের সিনিয়র জেলা জজ আজিজ আহমেদ এবং তাঁর স্ত্রী মৌসুমী আক্তার, যিনি কোভিড -১৯-এর ইতিবাচক ধরা পরেছিলো, তাদের গতকাল দিনাজপুর থেকে ঢাকায় আনা হয়েছে।
আরো পড়ুন→বিতর নামায ১ রাকাত নাকি তিন রাকাত?
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি এমআই -171 এসএইচ হেলিকপ্টার জরুরি ভিত্তিতে তাদের ঢাকায় নিয়ে যায়। পরে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে আন্তঃবাহিনী গণসংযোগ (আইএসপিআর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।
আরও পড়ুন→সহীহ হাদীস কি বুখারী মুসলিমে সীমাবদ্ধ?
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জরুরি বিমান পরিবহন এবং চিকিৎসা সেবা নেওয়ার সহায়তা সরবরাহ করে এবং পেশাদার পদ্ধতিতে সকল জরুরি প্রয়োজন মেটাতে প্রতিশ্রুতি স্বীকার করত: বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
আরও পড়ুন→ওযু ছাড়া কুরআন অ্যাপ স্পর্শ করা ও পড়া যাবে কি?
এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর চিফ অব এয়ার স্টাফ মেডিকেল উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা সরবরাহ করেন।
Friday, July 17, 2020
যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট খেয়ে স্ত্রী সহবাস করা কি জায়েয?
প্রশ্ন: যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট খেয়ে স্ত্রী সহবাস করা কি জায়েয?
উত্তর: যৌন উত্তেজক ট্যাবলেটের মূল বিধান হলো, বৈধ হওয়া। যদি এতে হারাম কিছু না থাকে যেমন নেশাকর কিছু। তবে এগুলো তাদেরই ব্যবহার করা উচিৎ যারা যৌন অক্ষমতায় ভুগছে। অথবা যারা অসুস্থ বা বার্ধক্যে উপনিত হয়েছে। নির্ভরযোগ্য ডাক্তারের পরামর্শে এগুলো ব্যবহার করা উচিৎ।
প্রশ্ন: কত টাকা থাকলে যাকাত দিতে হয় এবং যাকাত ওয়াজি হওয়ার শর্ত কি কি?
উত্তর: সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপা বা সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ বা এর বর্তমান বাজারমূল্য পরিমাণ টাকা বা ব্যবসায়ীক পণ্য যার কাছে থাকবে তার উপর যাকাত ওয়াজিব হবে।
যাকাত ওয়জিব হওয়ার শর্ত সাতটি যথা-
এক. মুসলিম হওয়া
দুই. নেসাবের মালিক হওয়া
তিন. নেসাব প্রকৃত প্রয়েজনের অতিরিক্ত হওয়া।
চার. ঋণগ্রস্ত না হওয়া।
পাচ. নেসাব পরিমাণ সম্পদ ১ বছর স্থায়ী হওয়া।
ছয়. মস্তিস্ক বিকৃত না হওয়া।
সাত. বালেগ হওয়া।
অারও পড়ুন
প্রশ্ন: জমি বন্ধক রাখার শরয়ী পদ্ধতি কি ? জানালে উপকৃত হবো।
উত্তর: বর্তমান সমাজে জমি বন্ধক রাখাল দুটি পদ্ধতি রয়েছে যথা-
এক. বন্ধক দাতা বন্ধক গ্রহীতার কাছ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা গ্রহণ করে। আর বন্ধক গ্রহীতা জমি ভোগ করতে থাকে। যখন টাকা ফেরত দেয় তখন জমিও ফিরিয়ে দেয়।
দুই. এটিও উপরের মত। কিন্তু পার্থক্য হলো, যখন টাকা ফেরত দেয় তখন বন্ধক গ্রহীতা কিছু টাকা কম নেয়।
ঋণদাতার জন্য বন্ধকি জমি ভোগ করা সম্পূর্ণ নাজায়েয। মূলত এটি ঋণ প্রদান করে বিনিময়ে সুদ গ্রহণেরই একটি প্রকার। সুতরাং প্রথম পদ্ধতিটি নাজায়েয। আর দ্বিতীয় পদ্ধতিটি মূলত জমি ভোগ করার একটি অবৈধ ছুতা। তাই এ প্রকারও নাজায়েয।
এক্ষেত্রে বৈধ পদ্ধতি হলো, ১ম সূরত : শুরু থেকেই বন্ধকি চুক্তি না করে ভাড়া বা লীজ চুক্তি করবে। জমির মালিক জমি ভাড়া দিবে। তার যত টাকা প্রয়োজন সেজন্য যত বছর ভাড়া দিতে হয় একত্রে তত বছরের জন্য ভাড়া দিবে। এ ক্ষেত্রে জমির ভাড়া স্থানীয় ভাড়া থেকে সামান্য কম বেশিও হতে পারে। এরপর ভাড়ার মেয়াদ শেষ হলে অর্থদাতা জমি ফেরত দিবে, কিন্তু প্রদেয় টাকা ফেরত পাবে না।
২য় সূরত: দুইটি চুক্তি সম্পাদন করবে। প্রথম ক্রয় বিক্রয় চুক্তি। তারপর আলাদা আর একটি চুক্তি নামায় যেদিন টাকা পরিশোধ করতে পারবে সেদিন জমিটি প্রথম জমির মালিক ক্রয় করে নিয়ে যাবে। আর বর্তমান মালিক তা বিক্রি করে দিবে মর্মে চুক্তি সম্পাদিত করবে।
প্রশ্ন: সেভিং অ্যাকাউন্ট ও ফিক্স ডিপোজিটে অ্যাকাউন্ট খোলা কি জায়েয আছে?
উত্তর: সুদী ব্যংকের সেভিং অ্যাকাউন্ট ও ফিক্স ডিপোজিটে গ্রাহক কতৃত জমাকৃক টাকার উপর কম বেশি একাউন্ট হোল্ডারগণ সুদ পেয়ে থাকে। তাই একাউন্ট হোল্ডারগণ তাদের জমাকৃত টাকার চেয়ে যাই বেশি নিবে তা স্পষ্ট সুদ হবে। তাই কোনো মুসলমানের জন্য কোনোভাবে সুদী ব্যাংকে এই দুই একাউন্ট খোলা এবং তাতে টাকা রাখা জায়েয হবে না।
প্রশ্ন: মুসলমানদের জন্য ঘুড়ি উড়ানো জায়েয আছে কি?
এক. অনর্থক সময় নষ্ট করা হয়।
দুই. অন্যের ঘুড়ি তার অনুমতি ছাড়া কেটে নষ্ট করা হয়।
তিন. ঘুড়ি উড়ানোর অনুষ্ঠানের সাথে হিন্দুয়ানী অনুষ্ঠানের সাদৃশ্য রয়েছে।
তবে যদি উল্লিখিত কারণ না পাওয়া যায় বরং ছোট ছোট বাচ্চারা শুধু মাত্র বিনোদনের জন্য ঘুড়ি উড়ায় তাতে কোনো সমস্যা নেই।
প্রশ্ন: আমার মায়ের মামত বোন কে বিবাহ করতে পারব কিনা ? ইসলাম এ ব্যাপারে কী বলে?
Tuesday, June 30, 2020
তাকসিমে সাবয়ীর অসারতা
তাকসিমে সাবয়ী এর পরিচয়:
এক. যে হাদীস সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম উভয় কিতাবে আছে।
দুই. যে হাদীস শুধু সহীহ বুখারী শরীফে আছে।
তিন. যা শুধু সহীহ মুসলিমে আছে।
চার. যা সহীহ বুখারী ও মুসলিমে নেই তবে এই দুই কিতাবের মানদন্ডে সহীহ।
পাচ. যে হাদীস শুধু বুখারীর মানদন্ডে সহীহ।
ছয়. যা শুধু মুসলিমের মানদন্ডে সহীহ।
সাত. যে হাদীস বুখারী মুসলিমেও নেই, না এই দুই কিতাবের মানদন্ডে সহীহ। তবে অন্য কোনো ইমাম এক সহীহ বলেছেন।
তাকসিমে সাবয়ীর আবিষ্কারক:
তাকসীমে সাবয়ীর অসারতা:
অনেক মুহাক্কিক আলেম বাস্তবতার বিচারে বলেছেন, এই প্রকারভেদ হাদীসের উসূলের আলোকে সহীহ নয়। কেননা, সহীহ হাদীসের প্রকার ও পর্যায় নির্ধারিত হয় হাদীস সহীহ হওয়ার শর্ত ও বৈশিষ্টের ওপর ভিত্তি করে, বিশেষ কোনো কিতাবে থাকা না থাকার ভিত্তিতে নয়।
![]() |
| মুফতি রেজাউল করিম |
যারা এ তাকসিমে সাবয়ীর সমালোচনা করেছেন:
اما لو رجح قسم علي ما فوقه بامور أخري تقتضي الترجيح فانه يقدم علي ما فوقه
আল্লামা ইবনুল হুমাম রহমাতুল্লাহি আলাইহি তাকসীমে সাবয়ী প্রত্যাখান করতে গিয়ে বলেন,
আল্লামা জালালুদ্দিন সুয়ূতী রহমাতুল্লাহি আলাইহি পরিস্কার লিখেছেন যে,
আল্লামা যারকাশী রহমাতুল্লাহি আলাইহি লিখেছেন, অগ্রগণ্যতার কারণ বিচারে মুহাদ্দিসগণ কখনো কখনো সহীহ মুসলিমের হাদীসকে বূখারীর হাদীসের উপর প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।
ইমাম আবু বকর হাযেমী রহমাতুল্লাহি আলাইহি এক হাদীসকে অন্য হাদীসের উপর প্রাধান্য দেওয়ার পঞ্চাশটি কারণ উল্লেখ করেছেন। সেসব ‘প্রাধান্য দেওয়ার কারণসমূহের’ মধ্যে বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হাদীস যে প্রাধান্য পাবে তার উল্লেখ নেই। বরং তিনি বলেছেন এক হাদীস অন্য হাদীসের উপর প্রাধান্য পায় রাবীর গ্রহণযোগ্যতার কারণে। হাদীসটি কোন কিতাবে বর্ণিত হয়েছে সে বিবেচনায় নয়।
[আল ই’তিবার ফিন নাসিখ ওয়াল মানসুখ-৫৮-৯০]
হাফেয ইরাকি রহমাতুল্লাহি আলাইহি একশত দশটি “উজুহে তারজীহ” উল্লেখ করেছেন। তম্মধ্যে বুখারী মুসলিমের হাদীসকে ১১০ নাম্বারে গণ্য করেছেন।
আব্দুর রশীদ নুমানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, হাফেয ইবনুস সালাহ রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর পূর্বে তাকসীমে সাবয়ীর প্রবক্তা কেউ ছিলো না। তার পরবর্তীতে কেউ কেউ তার অনুসরণ করেছেন। কিন্তু হাফেয ইমাদুদ্দিন ইবনে কাসির রহমাতুল্লাহি আলাইহি “ইখতিসার ফি উলুমুল হাদীসে” তাকসীমে সাবয়ীর উল্লেখ করেননি। এর দ্বারা বুঝা যায় তিনি এর অনুসরন করেননি। বরং তিনি স্পষ্ট ভাবে বলেছেন, ‘মুসনাদে ইমাম আহমাদে’ এমস সনদ ও মতন রয়েছে যা বুখারী মুসলিমের সমপর্যায়ের। যা ইমাম বুখারী ও মুসলিম বর্ণনা করেননি। এমনকি আইম্মায় আরবায়া ও বর্ণনা করেননি।
Saturday, June 27, 2020
ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা : মুফতি তকী উসমানী
![]() |
| মুফতি তকী উসমানী |
কোনো বিষয় হালাল নাকি হারাম এ বিষয়ে কেউ জিজ্ঞেসিত হলে, আল্লাহ তায়ালা বলেন,এটা তার দায়িত্ব নয় যে, তিনি নিজ থেকে এটা বলে দিবেন যে, এটা হালাল বা হারাম। এটাতো আসলে আল্লাহ তায়ালার কাজ। কোনো বিষয় সম্পর্কে আমরা যদি এটা বলে দেই যে, এ বিষয়টি শরীয়তে হালাল । তাহলে মূলত আমরা আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে তার প্রতিনিধি হয়েই যেন তা বলি। এটাই হলো, “ আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে সাক্ষর বা অনুমোদন করা”।
ইমাম মালেক রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর মত এত বড় মানুষ এ ব্যাপারে কতটা সতর্ক ছিলেন দেখুন। “ আমি ফাতহুল বুইয়ু ও তাকমিলায় ফাতহুল মুলহিম লিখতে গিয়ে চারো মাযহাবের ফিক্বহের কিতাবগুলো অধ্যয়নের চেষ্টা করেছি। যে পরিমাণ যাচাই-বাছাই , তাহকীক ও গবেষণা ইমাম মালেক রহমাতুল্লাহি আলাইহির মাযহাবে আমি দেখেছি তা অন্য কোনো মাযহাবে আমি পাইনি”।
তার মাযহাবে যত শাখাগত মাসয়ালা আমার চোখে পড়েছে অন্য কোনো মাযহাবে আমার চোখে তা পড়েনি। তা সত্তেও ইমাম মালেক রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, আমার সমকালীন ৭০ জন আলেম আমাকে অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত আমি ফতোয়া প্রদান শুরু করিনি। যখন ৭০ জন আলেম আমাকে এ কথা বলে দিলেন যে, এখন তুমি ফতোয়া দিতে পারো। তখন আমি ফতোয়া দেওয়া শুরু করলাম।
ইমাম মালেক রহমাতুল্লাহি আলাইহি এত বড় আলেম হওয়া সত্তেও কখনো ‘আমি জানি না’ বলতে লজ্জাবোধ করতেন না। তার এক ছাত্র বলেন, একদা আমি ইমাম মালেক রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর কাছে বসা ছিলাম। একের পর এক লোকজন এসে ইমাম মালেক রহমাতুল্লাহি আলাইহি কে বিভিন্ন বিষয় জিজ্ঞাসা করছিলো। প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি জানি না, আমি জানি না’। তিনি প্রশ্নের সংখ্যা উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন যে, অধিকাংশ মাসয়ালার ক্ষেত্রে ইমাম মালেক বলেছেন ‘আমি জানি না’।
অথচ আল্লাহ তায়ালা ইমাম মালেকের মাধ্যমে এত কাজ আঞ্জাম দিয়েছেন যে, তা গণনা করা সম্ভব নয়। একবার এক ব্যক্তি কোনো প্রশ্নের বিষয়ে তাকে বললেন যে, এটাতো একদম সহজ একটি মাসয়ালা। তখন ইমাম মালেক রহমাতুল্লাহি আলাইহি বললেন, “ ফিক্বহের মধ্যে সহজ বা হালকা বলতে কোনো কিছু নেই”।
এ জন্য কোনো বিষয়ে নিশ্চিত জ্ঞান অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা এর উত্তর দিতে পারি না। জ্ঞানের এত বড় সমুদ্র হওয়া সত্তেও ফতোয়া প্রদানের ক্ষেত্রে ইমাম মালেক রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর সতর্কতার অবস্থা ছিলো এই। আল্লাহ তায়ালা স্বীয় রহমত দ্বারা আমাদের ( সতর্কতা অবলম¦ন না করেই ফতোয় প্রদানের) এই মুসিবত থেকে হেফাযত করুন।
বুযুর্গানে দ্বীন বলেন, যখন কোনো ব্যক্তি কোনো মুফতি সাহেবের কাছে কোনো বিষয়ে ফতোয়া জানতে চান। তখন এই প্রশ্নকারী যেন উত্তরদাতা মুফতি সাহেবকে প্রশ্নকারী নিজের ও জাহান্নামের মাঝে একটি মাধ্যম বানিয়ে নেয়।
সে এটি ঠিক করে নেয় যে, বিষয়টির কারণে আমি জাহান্নামে যাবো না। বরং এ বিষয়টিকে হালাল বা হারাম বলে দেওয়ায় এর সব দায় দায়িত্ব মুফতি সাহেবের কাধে বর্তাবে। ভুল ত্রুটি যা হবে আল্লাহর কাছে মুফতি সাহেব জবাবদিহিতা করবেন।
আব্বাজান মুফতি শফী রহমাতুল্লাহি আলাইহির কাছে শুনেছি, ইমাম মুহাম্মাদ বিন হাসান শায়বানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি কে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো যে, আমরা সব সময় আপনাকে চিন্তিত অবস্থায় দেখি। অন্য লোকদের যেমন হাসি খুশি দেখি আপনাকে তেমন দেখি না কেনো? ইমাম মুহাম্মাদ রহমাতুল্লাহি আলাইহি বললেন, ওই ব্যক্তির অবস্থা আর কী হতে পারে যার কাধকে মানুষ জান্নাত জাহান্নামে যাওয়ার জন্য সেতু বানিয়েছে ? ভুল ত্রুটির সমস্থ দায়ভার ওই লোকের কাধে ছেড়ে দিয়ে সেই কাধকে মানুষ সেতু বানিয়ে জান্নাত জাহান্নামে যায়?
এক দিকে এই ছিলো ফতোয়া প্রদানের ক্ষেত্রে এ ইমামগণের সতর্কতার অবস্থা। ইমাম মালেক রহমাতুল্লাহি আলাইহি ইমাম আবু হানিফা রহমাতুল্লাহি আলাইহি ও ইমাম শাফেয়ী রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর সতর্কতার অবস্থা। ইমাম শাফেয়ী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলতেন, যখনই কোনো ব্যক্তি আমাকে কোনো মাসয়ালা জিজ্ঞাসা করে তখন আমি অল্প সময়ের জন্য জান্নাত ও জাহান্নামের দুটোর সামনেই পেশ করি।
আমি চিন্তায় পড়ে যাই যে, এই প্রশ্নের উত্তর আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে নাকি জাহান্নামে নিয়ে যাবে। সতর্কতার অবস্থা ছিলো এই । অথচ আজ কাল ফতোয়া প্রদানকে এমন তুচ্ছ বিষয় বানিয়ে ফেলা হয়েছে যে, প্রত্যেকেই মুফতি সাহেব সাজতে প্রস্তুত। আর বলতে চায় এটা আমার মত, এটা আমার ফতোয়া। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে হেফাযত করুন।
Friday, March 20, 2020
করোনা থেকে বাঁচতে সতর্কতার পাশাপাশি যেসব আমল করবেন: মুফতি মনসূরুল হক
১. সর্বপ্রথম নিজের ঈমান আমলকে সংশোধন করা। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন-
وَمَا كَانَ رَبُّكَ لِيُهْلِكَ الْقُرَى بِظُلْمٍ وَأَهْلُهَا مُصْلِحُونَ অর্থ : আর আপনার রব এমন নন যে, তিনি জনপদসমূহকে অন্যায়ভাবে ধ্বংস করে দেবেন অথচ তার অধিবাসীরা সৎকর্মে লিপ্ত রয়েছে। (সূরা হুদ : ১১৭)
২. দুই নম্বর কাজ হলো-আকীদা সহীহ করা। পবিত্র কুরআনে কারীমে মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন,
قُلْ لَنْ يُصِيبَنَا إِلَّا مَا كَتَبَ اللَّهُ لَنَا هُوَ مَوْلَانَا وَعَلَى اللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُؤْمِنُونَ অর্থ: হে নবী! আপনি বলে দিন! আল্লাহ আমাদের জন্য (তাকদীরে) যা লিখে রেখেছেন তা ছাড়া অন্য কোনো কষ্ট আমাদেরকে কিছুতেই স্পর্শ করবে না। তিনিই আমাদের অভিভাবক। আর আল্লাহর উপর মুমিনদের ভরসা করা উচিত। (সূরা তাওবা; আয়াত ৫১)
কাজেই যে কোনো বালা-মুসীবত ও মহামারিতে মুমিন বান্দার প্রথম কাজ হলো নিজের আকীদা বিশ্বাস দৃঢ়
করা যে, আল্লাহ তাআলা যদি আমার তাকদীরে লিখে রাখেন, তবে তা কোনভাবেই আটকানো সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে
আল্লাহ তাআলাই আমাকে সুস্থতা দান করবেন, মারা গেলে ‘শহীদ’ এর মর্যাদা তথা বিনা হিসেবে জান্নাত
দান করবেন। আর যদি আমার তাকদীরে এ রোগ না লিখে থাকেন, তবে এ রোগ আমার কক্ষনো হবে না।
এর পাশাপাশি এ বিশ্বাস রাখতে হবে যে, করোনা ভাইরাস কোনো রোগ ছোঁয়াচে রোগ নয়। বরং আল্লাহ
তাআলা তাকদীরে রেখেছেন-এ জন্য হয়েছে। হাদীসে পাকে ইরশাদ হয়েছে-নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লাম বলেন- ولا عدوى،অর্থাৎ ছোঁয়াচে রোগ বলতে কিছু নেই!’ এক সাহাবী জিজ্ঞাসা করলেন যে, ইয়া
রাসূলুল্লাহ! আমরা একটি খুজলিযুক্ত বকরী অন্যান্য (সুস্থ) বকরীর মাঝে রেখে দিলে সেগুলোও তো খুজলি রোগে
আক্রান্ত হয়ে যায়! নবীজী বললেন, ‘ فمن أعدى الأول ‘তাহলে প্রথম বকরীটি কী কারণে আক্রান্ত হলো?’ অর্থাৎ
প্রথম বকরীটি যেভাবে আল্লাহর হুকুমে আক্রান্ত হয়েছে, তেমনি অন্যগুলোও আল্লাহর হুকুমে আক্রান্ত হয়েছে।
(মুসনাদে আহমাদ; হা.নং ৩০৩১)
৩. বেশি বেশি ইস্তেগফার করা তথা আল্লাহর কাছে নিজ গোনাহের জন্য ক্ষমা চাওয়া। পবিত্র কুরআনে মহান
আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন- وَمَا كَانَ اللَّهُ لِيُعَذِّبَهُمْ وَأَنْتَ فِيهِمْ وَمَا كَانَ اللَّهُ مُعَذِّبَهُمْ وَهُمْ يَسْتَغْفِرُونَ অর্থ : এবং (হে নবী!) আল্লাহ এমন নন যে, আপনি তাদের মাঝে বর্তমান থাকা অবস্থায় তাদেরকে শাস্তি দেবেন এবং তিনি এমনও নন যে, তারা ইস্তিগফারে রত থাকা অবস্থায় তাদেরকে শাস্তি দেবেন। (সূরা আনফাল : ৩৩)
৪. এ দু‘আটি বেশি বেশি পাঠ করা- لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ অর্থ : (হে আল্লাহ!) আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। আপনি সকল ত্রুটি থেকে পবিত্র। নিশ্চয়ই আমি অপরাধী (সূরা আম্বিয়া ৮৭)
৫. বাদ ফযর ও বাদ মাগরিব তিন তিনবার নিম্নোক্ত দু‘আ দুটি পড়া- بِسْمِ اللهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ অর্থ : আল্লাহর নামে, যার নামের সাথে আসমান ও যমীনে কোনো বস্তু ক্ষতিসাধন করতে পারে না। আর তিনিই সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী! (মুসনাদে আহমাদ; হা.নং ৪৪৬)
أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق উচ্চারণ : আউযুবিকালিমাতিল্লাহিত্ধসঢ়; তাম্মা-তি মিন শাররি মা খলাক্ব। অর্থ : আমি আল্লাহর কাছে তার পরিপূর্ণ ‘কালেমা’র মাধ্যমে সকল সৃষ্টিজীবের অনিষ্টতা থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। (মুসনাদে আহমাদ; হা.নং ৭৮৯৮)
৬. নিম্নোক্ত দুআটি বেশি বেশি পাঠ করা- اللهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْبَرَصِ، وَالْجُنُونِ، وَالْجُذَامِ، وَمِنْ سَيِّئِ الْأَسْقَامِ অর্থ: হে আল্লাহ! আমি শে^ত রোগ, উম্মাদনা, কুষ্ঠ রোগ এবং সকল প্রকার দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। (মুসনাদে আহমাদ; হা.নং ১৩০০৪)
৭. দিনে যে কোনো সময়ে সূরা ফাতিহা তিনবার, সূরা ইখলাস তিনবার, এবং নিম্নোক্ত দুআটি ৩১৩ বার পড়া- حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ অর্থ : আল্লাহ তাআলাই আমাদের জন্য যথেষ্ট। আর তিনি অতি উত্তম অভিভাবক। (সূরা আলে ইমরান; আয়াত ১৭৩)
৮. দিনে যে কোনো সময়ে নিজ পরিবারে সম্মিলিতভাবে সীরাতুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের
নির্ভরযোগ্য কোনো কিতাবের তা‘লীম করা। এটা একটা পরীক্ষিত আমল। নিকট অতীতে হিন্দুস্তানে
একবার এক মহামারি দেখা দেয়। তখন হযরত আশরাফ আলী থানভী রহ. এ মহামারি থেকে বাঁচার জন্য
‘নাশরুত তীব’ নামে সীরাতগ্রন্থ লেখা শুরু করেন। এ সীরাতের বরকতে আল্লাহ তাআলা মহামারি উঠিয়ে
নেন!
নির্ভরযোগ্য সীরাতের কিতাব যেমন সাইয়্যেদ আবুল হাসান নদবী রহ. রচিত কিতাব ‘নবীয়ে রহমাত’
(বাংলা), মুফতী শফী রহ.কৃত ‘সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া সা. (বাংলা)।
আতঙ্ক নয়, সতর্ক হই, সচেতন হই, গুনাহ বর্জন করি।
Recent
Popular
-
প্রশ্ন: যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট খেয়ে স্ত্রী সহবাস করা কি জায়েয? উত্তর: যৌন উত্তেজক ট্যাবলেটের মূল বিধান হলো, বৈধ হওয়া। যদি এতে হারাম...
-
প্রশ্ন মো. রোমান যশোর সদর জনাব মুফতি সাহেব আমাদের গ্রামে একটি বড় কবরস্থান আছে সেখানে যুবতী ও বয়স্কা মহিলারা কবর যিয়ারত করতে আস...
-
প্রশ্নঃ মো. জাকির হোসেন মাদারীপুর জনাব,আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব মাঝে মাঝে অযুহীন অবস্থায় অাযান দিয়ে থাকেন। এখন আমার জানার বিষয় হলো, অয...
Comments
Blog Archive
Tags



